Posts

কুড়ি কুড়ি বছরের পার…

Image
  স্বাতীকে দেখলাম কাদাজমিটা পেরিয়ে তিরতির করে বয়ে যাওয়া নদীটার কাছে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। নদীর ওপারে আবার কিছুটা ঘাসে ঢাকা জমি। তারপর জংগলের সীমানা। কোনও কোনও বাঁকে পানা, শ্যাওলায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে নদীটা। জলের শব্দ খুব মন্থর। খুব কাছে গিয়ে কান পাতলে হয়তো-বা শোনা যায়। রিসর্টের গেস্টরুমগুলো দূরে দূরে। অতিথিদের বসার জন্য টিনের ছাউনি বা পলতা বাঁশের ছাউনি দেওয়া জায়গা আছে। তারই একটায় বসে খবরের কাগজের পাতা ওল্টাচ্ছিলাম আমি। নিছক সময় কাটানো। আমার কাগজ পড়ার নেশা নেই। খুন-রেপ-রাজনীতিতে আমার একেবারেই আগ্রহ নেই। বাড়িতে টিভি দেখলে আমি সায়েন্স চ্যানেল বা স্পোর্টস চ্যানেল দেখি বা ল্যাপটপে সিনেমা। রিসর্টের পেছন দিকটায়, যেখানে মাটি অনেকটা উঁচু পাড়ের মতো, সেখানে সার সার কতকগুলো গাছ। এদের মধ্যে অনেকগুলো ছাতিম গাছ। একটা ছাতিম গাছ চেহারায় বেশ পুরনো। ওই গাছগুলোর মধ্যে এই গাছটাই বোধহয় অবিভাবক। শুভ্রাংশু ওই মাটির পাড়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ক্যামেরায় নদী, জংগলের ছবি তুলছে। রতন, মানে এই রিসর্টের কেয়ারটেকার কাম ম্যানেজার আমাদের জানিয়েছে, জংগল থেকে মাঝে মাঝে হরিণ বেরিয়ে জল খেতে আসে। এখান থেকে পরিষ্কার দেখা যায়। এটা শোনার প...